আফগানিস্তানকে অর্থ সাহায্য করবে মুসলিম দেশগুলি!

অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোঅপারেশন(ওআইসি)-র গোষ্ঠীভুক্ত ৫৭টি দেশে প্রতিনিধিরা ইসলামাবাদে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তারা আফগানিস্তানকে অর্থসাহায্য করবেন।

আফগানিস্তানে যা আর্থিক পরিস্থিতি, তাতে এই প্রবল শীতে লাখ লাখ মানুষ অভুক্ত থাকবেন। সেই মানবিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওআইসি গোষ্ঠাীভুক্ত দেশগুলি।

গত অগাস্টে তালেবান ক্ষমতা দখল করার পর আফগানিস্তান নিয়ে এই প্রথমবার এত বড় আকারে বৈঠক হলো। এর আগে রাশিয়া ও ভারতের উদ্যোগে আফগানিস্তান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেটা ছিল তুলনায় ছোট আকারে।

পকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুরেশি ঘোষণা করেছেন, আফগনিস্তানের জন্য ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কে একটি ফান্ড খোলা হবে। তবে তার এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে তা জানা যায়নি। কারণ, আফগানিস্তানের আর্থিক সমস্যা বিশাল আকার নিয়েছে।

আর পশ্চিমা দেশগুলি আফগানিস্তানকে অর্থসাহায্য করার ক্ষেত্রে বিশেষ উৎসাহ দেখাচ্ছে না। কারণ, তারা মনে করছে, অর্থসাহায্য করলে তালেবান শাসনকে স্বীকৃতি দেয়া হয়ে যাবে। ফলে তালেবানকে স্বীকৃতি না দেয়া দেশগুলি শেষ পর্যন্ত কতটা সাহায্যের হাত বাড়াবে, তা স্পষ্ট হয়নি।

গত আগস্টে কাবুলের দখল নেয় তালেবান৷ তারপর মোটামুটি সারা দেশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করলেও অর্থনীতি দ্রুত চরম বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে৷ আন্তর্জাদিক দাতা সংস্থাগুলো আফগানিস্তান ছেড়েছে৷

বিদেশি সৈন্যরা চলে যাওয়ার পর থেকে দৃশ্যত বিদেশের কোনো অর্থনৈতিক সহায়তাও পাচ্ছে না তালেবানের আফগানিস্তান৷ প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের নাগরিক সেবা সংশ্লিষ্ট খরচের তিন চতুর্থাংশই বিদেশি সহায়তা নির্ভর।