মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিমান ভাড়া নিয়ে যে তেলেসমাতি তা শেষ হবে কবে?

ডা. শফিকুল ইসলাম তার ফেজবুক পেজে বলেন

সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশে যে সমস্ত প্রবাসী বাংলাদেশী থাকেন, তাদের বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। জীবনের চাকা সচল রাখার জন্য আপনজন এবং জন্মস্থান ছেড়ে এক কঠিন জীবন তাদের সঙ্গী হয়ে আছে।

অথচ এই সাধারণ মানুষগুলোই সব চাইতে বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়ে থাকেন। যা দিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যের চাকা ঘুরছে। অথচ তাদের কাছ থেকে স্বাভাবিক মূল্যের চাইতে বহুগুণ বেশি ভাড়া আকাশ পথে আদায় করা হচ্ছে। যার কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারবে না।

আবার তাদেরকেই বলা হচ্ছে রেমিট্যান্স যোদ্ধা। এর চাইতে বড় উপহাস আর কি হতে পারে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইতিমধ্যে তার চিঠি চালাচালির ক্লান্তির কথা জানিয়েছেন। প্রশ্ন জাগে তাহলে কি মন্ত্রণালয়গুলোর পারস্পারিক কোন সমন্বয় নেই। আসলে এটিই বর্তমানে দেশের বাস্তব চিত্র।

প্রবাসী বাংলাদেশীদের ওপর এই নির্যাতন অবশ্যই অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।