মাত্র ৩ মাসে কুরআনের হাফেজ, তিন শিশুর চমক!

মাত্র ৩ মাসে কুরআনের হাফেজ, তিন শিশুর চমক।পবিত্র কোরআন মাজিদের অসংখ্য বৈশিষ্ট্য রয়ে’ছে। এর অন্য’তম হলো কোনো কোনো বক্তব্য ও ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এসব পুন’রাবৃত্তি সৃষ্টি’শীল ও নতুনত্বে ভরপুর হওয়ায় অত্যন্ত মনোজ্ঞ এবং আ’ক’র্ষণীয়।

কোরআন শুধু সর্বাধিক পঠিত গ্র’ন্থই নয় বরং মুখস্থকরণের দিক থেকেও কোরআন রয়েছে বিশ্বে শী’র্ষে। কোরআন যত মানুষ মুখস্থ করেছেন পৃথিবীর আর কোনো গ্রন্থ মুখস্থ করেনি কেউ।যারা এই কোরআন মাজিদ মুখস্থ করেন তাদের হাফেজ বা হাফেজে কোরআন বলা হয়।

পৃথিবীতে প্রায় এক কোটি হাফেজে কোরআন রয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঝালকাঠির এক শিশু মাত্র তিন মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। শিশুটির নাম মো. বায়েজিত।

মাত্র ছয় মাসে কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে সে। পুরো কোরআন মুখস্থের আগে দেড় বছর সময় নিয়ে দেখে দেখে তি’লা’ওয়াত করা শিখে বায়েজিত।ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার দারুল উলুম কওমিয়া মাদরাসার ছাত্র বায়েজিত।

পরে মাত্র তিন মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে ১০ বছর বয়সী এই শিশু। বায়েজিতের শিক্ষক ক্বা’রি মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, বায়েজিত নাজেরা পড়া শেষ করে শুরুর দিকে দুই পৃ’ষ্ঠা করে কোরআন মুখ’স্থ করত।

পরে ৭-৮ পৃষ্ঠা করে মুখস্থ শুরু করে সে। এভাবে তিন মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে ফেলে বায়েজিত। এখন সকা’লে আধা পারা, বিকে’লে আধা পারা করে মোট এক পারা কোর’আন আ’মাকে মুখস্থ পড়ে শুনায় সে।

বায়েজিতের বাবা মো. সাইদুল ইসলাম ঝালকাঠি পৌ’রস’ভার সহকারী কর নির্ধারক এবং মা শিরীন সুলতানা গৃ’হিণী। বি’স্ম’য় সৃ’ষ্টিকা’রী কোরআনের হাফেজ বায়েজিতের বাড়ি ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার আলগি গ্রামে।

অন্যদিকে, দেড় বছরে কোরআন হাফেজ হয়েছেন একই উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের নুরুল ইস’লামিয়া দিনিয়া হাফেজি মাদ’রাসা’র ছাত্র মো. জোবায়ের খান মোত্তা’কিন। উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের কৃ’ষক জামাল উদ্দিন খানের ছেলে মোত্তাকিন।

তার মা মরিয়ম বেগম গৃ’হি’ণী। ঠিক মো’ত্তাকি’নের মতোই দেড় বছরে কোর’আন হাফেজ হয়ে’ছেন মো. ওমর ফা’রুক হাওলাদার। রাজাপুরের মনোহরপুর গ্রামের মো. শফিকুল ইসলা’মের ছেলে ফারুক।

তার মা মাহমুদা বেগম গৃ’হি’ণী। নুরুল ইসলামিয়া দিনিয়া হাফেজি মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ জানান, জোবায়ের খান মো’ত্তাকি’ন ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ভ’র্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর হাফে’জ হয়। একই’ভাবে মো. ওমর ফারুক হাওলাদার ২০১৮ সালের মে মাসে ভ’র্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর হাফেজ হয়েছে।