যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত ভারত ছাড়ার নির্দেশ

    ভারতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণে দেশটিতে দেখা দিয়েছে লাশের মিছিল। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বা এর লক্ষণ শরীরে নিয়ে মৃত্যুবরণ করছেন।

    ক্রমবর্ধমান এই সংকটের কারণে যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের নাগরিকদের ভারত ছাড়তে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    বুধবার (২৮ এপ্রিল) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে মার্কিন নাগরিকদের ভারত ভ্রমণ না করতে বা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশটি ছাড়তে বলেছে। মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিদিন ১৪টি সরাসরি ফ্লাইট চলাচল করে, এছাড়া ইউরোপ হয়ে আরও কিছু সার্ভিসও আছে।

    রেকর্ড করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর সঙ্গে পাল্লা দিতে ভারতের কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতালগুলোকে লড়াই করতে হচ্ছে। এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সকালে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আগের ২৪ ঘণ্টায় তিন লাখ ৭৯ হাজার ২৫৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত ও ৩৬৪৫ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে।

    আক্রান্তের সংখ্যায় পরপর সাত দিন ধরে বিশ্বরেকর্ড করা ভারতে সম্প্রতি সবচেয়ে দ্রুতগতিতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    রুটি বিক্রির অর্থ দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করলো তুর্কি নারীরা

    তুরস্কের বুরসা প্রদেশের একটি বিধ্বস্ত মসজিদ পুননির্মাণ কাজে রুটি বিক্রি করে বিশাল অংকের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় নারীরা। মসজিদটির পুননির্মাণে আনুমানিক এক লাখ ৮১ হাজার ডলার ব্যয় হয়।

    তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় বুরসা প্রদেশের ওরহানলি অঞ্চলের বাসকো গ্রামের একটি পুরোনো মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই গ্রামবাসী মসজিদ পুনসংস্কারের উদ্যোগ নেন। তখন গ্রামের নারীরাও নির্মাণকাজে বিশাল অংকের আর্থিক সহায়তা দিতে এগিয়ে আসেন।

    আর্থিক অনুদান নিশ্চিত করতে একাধারে দুই বছর ওই নারীরা রুটি বিক্রি করতেন। সপ্তাহে একদিন বা দুইদিন দোকানে এসে তাঁরা রুটি বিক্রি করতেন। পুরো সময়ের জমানো অর্থ তাঁরা মসজিদ নির্মাণকাজে অনুদান হিসেবে ব্যয় করেন।

    গ্রামের প্রধান হাসান আকার জানান যে, গ্রামের মসজিদ সংস্কারের কাজ তাঁরা দুই বছর আগে শুরু করেছে। এমনকি মসজিদের অধিকাংশ এখন শেষ। এখন পর্যন্ত আমাদের সাড়ে ১০ লাখ তুর্কি লিরা অর্থ ব্যয় হয়েছে।

    হাসান আকার আরও জানান, এ সময় গ্রামের কিছু নারী রুটি তৈরি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ মসজিদের জন্য দান করে। পরিশ্রমের মাধ্যমে মসজিদ সংস্কারের সহায়তায় তাঁরা এগিয়ে আসেন। স্থানীয়রা নারীদের কাছে রুটি তৈরি করতে আটা পাঠিয়ে দেয়। অতঃপর পারিশ্রমিক হিসেবে পাওয়া অর্থ তাঁরা মসজিদে দান করে দেন।

    সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

    আইপিএল বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়: কামিন্স

    ভারতে করোনাভাইরাসের ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝে আইপিএল চালিয়ে যাওয়া কি যৌক্তিক? এমন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। অনেকের চাওয়া, আপাতত বন্ধ করে দেওয়া উচিত এই ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর। তবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অস্ট্রেলিয়ান পেসার প্যাট কামিন্স সেই দাবিতে দ্বিমত পোষণ করেছেন।

    বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি’র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও তিন হাজার ৬৪৫ জন। এটিই এখন পর্যন্ত দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

    করোনায় এ পর্যন্ত ভারতে মারা গেছেন দুই লাখ চার হাজার ৮৩২ জন। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও তিন লাখ ৮৪ হাজার ৮১৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত দেশটিতে ও বিশ্বে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত।

    কামিন্সের মতে, আইপিএল বন্ধ করে দেওয়া ভারতে করোনার বর্তমান চিত্রের উন্নতিতে কোনো সাহায্য করবে না। দেশটির গণমাধ্যম ডব্লিউআইওএনকে তিনি বলেছেন, বরং বিনোদনের মাধ্যম হওয়ায় এই প্রতিযোগিতাটি মানুষকে ঘরে রাখতে ভূমিকা পালন করছে, ‘একটা বিষয় হলো,

    প্রতি রাতে আমাদের এই তিন-চার ঘন্টার খেলা মানুষের আরও বেশি ঘরে থাকায় ভূমিকা রাখছে কিংবা তাদেরকে প্রতি দিনের কঠিন সময় পার করতে সাহায্য করছে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। আর আমি মনে করি, আইপিএল বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়।’

    হাসপাতালে অক্সিজেন ঘাটতির জন্য ভারতে আক্রান্ত অনেকের মৃত্যু ঘটছে। এমন মর্মস্পর্শী পরিস্থিতিতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন কামিন্স। হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করতে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে তিনি দিয়েছেন ৫০ হাজার ডলার (প্রায় সাড়ে ৩৭ লাখ রুপি)। এতে সকলের বাহবা কুড়িয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।

    প্রশংসা পেয়ে অভিভূত কামিন্স আহ্বান জানিয়েছেন সবাইকে এগিয়ে আসার, ‘অল্প কিছু সাহায্য করার চেষ্টা করেছি এবং তাতে ক্রিকেটারদের ও ক্রিকেটের বাইরের লোকদের কাছ থেকে যে প্রতিক্রিয়া পেয়েছি তা বিশাল। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি মোটেও আদর্শ নয়। তাই আমাদের যতটুকু সম্ভব সাহায্য করা উচিত।’

    ‘আল আকসা আমাদের ডাকছে, শহীদদের রক্ত আমাদের পুনরুজ্জীবিত করছে’

    ফিলিস্তিনে অব্যাহত ইসারাইলি হামলার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতে কাতারের বিশেষ একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও টুইট যুদ্ধের প্রতিবাদ জানাচ্ছে এমন একটি পরিসংখ্যান উঠে এসেছে কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার রিপোর্টে।

    আল-জাজিরার সংবাদ উপস্থাপক আয়মান আজম রবিবার তার টুইটরে বলেছেন, “পবিত্র মসজিদে ফিলিস্তিনিরা প্রবেশের জন্য ইসরাইলি বাধা ভেঙে দিয়েছে,” আল আকসা আমাদের ডাকছে .. শহীদদের রক্ত আমাদের পুনরুজ্জীবিত করছে .. ফিলিস্তিনিরা অবশ্যই ফিরে আসবে। ”

    তার টুইট বার্তাগুলি আরবি হ্যাশট্যাগ [# القدس_تنتفض] বা কাতারের টুইটারস্পিয়ারে প্রবণতা হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে অনেকে সহিংসতার অগ্নিসংযোগকে ভুলভাবে উপস্থাপনের জন্য বিদেশীদের প্রতি প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

    ফিলিস্তিনে অব্যাহত ইসারাইলি হামলার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতে কাতারের বিশেষ একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও টুইট যুদ্ধের প্রতিবাদ জানাচ্ছে এমন একটি পরিসংখ্যান উঠে এসেছে কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার রিপোর্টে।

    আল-জাজিরার সংবাদ উপস্থাপক আয়মান আজম রবিবার তার টুইটরে বলেছেন, “পবিত্র মসজিদে ফিলিস্তিনিরা প্রবেশের জন্য ইসরাইলি বাধা ভেঙে দিয়েছে,” আল আকসা আমাদের ডাকছে .. শহীদদের রক্ত আমাদের পুনরুজ্জীবিত করছে .. ফিলিস্তিনিরা অবশ্যই ফিরে আসবে। ”

    তার টুইট বার্তাগুলি আরবি হ্যাশট্যাগ [# القدس_تنتفض] বা কাতারের টুইটারস্পিয়ারে প্রবণতা হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে অনেকে সহিংসতার অগ্নিসংযোগকে ভুলভাবে উপস্থাপনের জন্য বিদেশীদের প্রতি প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।