পাকিস্তানের সংসদে আস্থা ভোটে জয়ী হলেন ইমরান খান!

    পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে এক আস্থা ভোটে জয়ী হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সংসদের নিম্ন কক্ষের এক অধিবেশনে ৩৪২ সদস্যের মধ্যে ১৭৮ ভোট লাভ করেছেন। প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভীর এক নির্দেশে এই ভোটের আয়োজন করা হয়। ইমরান খানের জয়ী হবার জন্য ১৭২ ভোটের প্রয়োজন ছিল।

    বিরোধী দলের আহুত বয়কটের আহ্বানের আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী দেশটির সংসদে এই আস্থা ভোটে জয়ী। এর ফলে তার সরকারের বৈধতার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হল।

    এর আগে তার মন্ত্রী পরিষদের অর্থমন্ত্রী এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে সিনেট নির্বাচনে পরাজিত হন।উচ্চকক্ষের ভোটাভুটিতে অর্থমন্ত্রী আব্দুল হাফিজ পেয়েছিলেন ১৬৪ ভোট। ইউসুফ রাজা গিলানি পেয়েছিলেন ১৬৯ ভোট। এবার উচ্চকক্ষের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে ১২ মার্চ। তার আগেই নিম্নকক্ষে আস্থা ভোটের সম্মুখীন হয়ে জয়ী হলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

    জঙ্গিবাদ’ দমনের অজুহাতে পাঠ্যপুস্তক হতে কুরআনের আয়াত অপসারণ করছে সিসি!

    মিশরীয় রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি ‘জঙ্গিবাদ’ দমনের অজুহাতে কুরআন এবং নবী মুহাম্মদের (সঃ) এর হাদিস সমূহ স্কুলগুলিতে ইসলামী ধর্মের পাঠ্যপুস্তকগুলিতে সীমাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে এবং অন্যান্য সকল বিষয়ের পাঠ্যপুস্তক থেকে একই আয়াত এবং হাদিস সমূহ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়৷

    শিক্ষা উপমন্ত্রী রেদা হেগাজি আরো বলেছে, রাষ্ট্রপতি শিক্ষা মন্ত্রককে শুধুমাত্র “মডারেট ধর্ম শিক্ষকদের” দ্বারা স্কুলগুলিতে ছাত্রদের ইসলামী বই পড়ানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য বলেছে।

    জেলে বসে নিজ হাতে পুরো দুই কপি কোরআন লিখেছেন কাশ্মিরি বন্দি আল মোহাম্মদ!

    হাতে পাওয়া ডায়রিতে দুই দুই বার নিজ হাতে পুরো কোরআন শরিফ লিখেছেন কাশ্মির শ্রীনগরের হাসনাবাদ রেইনওয়ারির বাসিন্দা আলি মোহাম্মদ ভাট। মিথ্যা অভিযোগে দীর্ঘ ২৪ বছর কারাবাস কালে তিনি কোরআন লেখার এই অসামান্য

    কাজটি করেছেন। সম্প্রতি তিনি আরো দুই জন কাশ্মিরীসহ ভারতের জয়পুর আদালত থেকে মুক্তি পেয়েছেন। মাঝখানে কেটে গেছ দীর্ঘ ২৪ বছর। ১৯৯৬ সালে সংঘটিত একটি বিস্ফোরণ মামলায় ২৪ বছর জেল খাটার পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছেন আল মোহাম্মদ ভাটসহ পাঁচ ব্যক্তি, তাদের মধ্যে তিনজন কাশ্মিরি।

    ১৯৯৬ সাল থেকে তারা বন্দি ছিলেন। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে দিল্লি ও আহমেদাবাদের জেলে অভিযোগ দায়ের করা হয়। আলী মোহাম্মদ ভাট বলেছেন, আমি বল-পয়েন্ট পেন দিয়ে চারটি ডায়রিতে দুইবার পুরো কোরআন লিখেছি। প্রথম কপিটি আট মাস লেগেছিল লিখতে।

    আর ৬ মাস সময় লাগে দ্বিতীয় কপিটি লিখতে। ভাটের পরিবারের একজন শিশু সদস্য গণমাধ্যমের সামনে মেলে ধরেছেন হাতে লেখা পবিত্র কোরআনের কপি। পাশেই বসা ভাট। তিনি আরো বলেন, তিনি পবিত্র আয়াতগুলো অনুলিপি করতেন কোরআনের একটি মুদ্রিত সংস্করণ থেকে।

    ডায়রিতে আয়াতগুলো লিখতেন এবং তিনি প্রতিদিন পবিত্র সে আয়াতগুলো পাঠ করতেন।তিনি বলেন, না, আমি হাফেজে কোরআন নই। আমার সংকীর্ণ কক্ষে পবিত্র কোরআনের একটি কপি আমার সঙ্গী ছিল। সেখান থেকেই কপি করতাম। আমার মনে হয়েছিল, এর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আমার বিশ্বাস আরো বাড়বে এবং এটিই হবে কারাগারে সময় পার করার সবচেয়ে ভালো উপায়।

    আলী মোহাম্মদ ভাটের ছোট ভাই আরশিদ আহমদ বলেন, কারাগারে পবিত্র কুরআন লেখা ছাড়াও তার ভাই একটি ডায়েরি লিখতেন। যাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু লেখার পাশাপাশি দিল্লির তিহার জেল ও জয়পুরের কেন্দ্রীয় কারাগারে কঠিন সময়গুলোর কথা লিখে রাখতেন।

    আরশিদ আহমদ বলেন, তার ভাই দীর্ঘ কারা জীবনে কিছু ইসলামিক কোর্সও সম্পন্ন করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট ইসলামী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সনদ পেয়েছেন। জেলে যাওয়ার আগে আলী মোহাম্মদ ভাট নেপালের কাঠমাণ্ডুতে কার্পেট ব্যবসা করতেন।