সম্মানী বাড়ল সরকারি কর্মচারীদের

নিয়োগ পরীক্ষার প্রায় প্রতিটি ধাপেই কর্মপরিচালনার জন্য সরকারি কর্মচারীরা নির্দিষ্ট পরিমাণে সম্মানী পেয়ে থাকেন। বর্তমানে সেটি ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্মানী দ্বিগুণ করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত এক আদেশে এই তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও দপ্তরে নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত কর্মচারীরা আগের চেয়ে বেশি হারে সম্মানী পাবেন।

আরও পড়ুন- ২৬৪৩ শ্রমিককে ১৫ কোটি টাকা সহায়তা

প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, বিভাগীয় নির্বাচন বা পদোন্নতি কমিটির সভা, মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য বোর্ড সদস্যরা প্রত্যেকে ৩ হাজার করে সম্মানী পেতেন। এখন এটি বৃদ্ধি করে ৫ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

তবে সদস্যরা দৈনিক একাধিক পদে পরীক্ষা নিলে কিংবা একাধিক সভায় যোগ দিলেও একটি মাত্র সভা কিংবা কাজের সম্মানী পাবেন বলে জারিকৃত আদেশে বলা হয়েছে।

আদেশে প্রতিটি পূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষণে সম্মানী ৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা এবং পূর্ণ অবজেকটিভ টাইপ উত্তরপত্র পরীক্ষণে ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছে। পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়নে জনপ্রতি আপ্যায়ন ব্যয় অর্থাৎ শুধু দুপুরের খাবারের বিল ছিল ২০০ টাকা। এ বিল ৪৫০ টাকা করা হয়েছে। নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে ২০০ টাকা খাবার বিল।

এ ছাড়া পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মচারীদের দৈনিক সম্মানী নবম গ্রেড ও তদূর্ধ্বদের জন্য ৫০০ টাকা থেকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। দশম গ্রেড থেকে ১৬তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০০ টাকা এবং ১৭ তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছে।

ভেন্যুর প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা প্রতিষ্ঠান প্রধান মনোনীত সমন্বয়কারীর সম্মানী ধরা হয়েছে ৩ হাজার টাকা, যা নতুন হিসেবে যুক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে লিখিত পরীক্ষার পরিদর্শকের সম্মানী ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন- পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ অব্যাহত রাখার দাবি
এবার নতুন করে লিখিত পরীক্ষায় প্রতি পরীক্ষার্থীর জন্য আসন বিন্যাস বাবদ ব্যয় ২ টাকা এবং উত্তরপত্র তৈরির জন্য ৫ টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো কাগজ, কলম ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্যও সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বলে জারিকৃত আদেশে উল্লেখ আছে।