পরীমনির মতো নেচে কারাগার থেকে বের হব

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অলি উল্লাহ ও তার স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায়

পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের

নাজির আবুল কালাম আজাদ। এ ঘটনায় পাঁচ আসামির মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রানা মরতুজা, তার বোন মাসুকা সুলতানা ও জিবান সুলতানা এবং গাড়িচালক আবদুর রহিম।

তাদেরকে গ্রেফতারের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিচারক অলি উল্লাহ অপুর গানম্যান পুলিশের কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম।

এসময় আসামিরা বিভিন্ন কটুক্তিপূর্ণ মন্তব্য করতে থাকে বলে জানান তিনি।

তিনি জানান, আসামি মাসুকা সুলতানা বলছিলেন, নায়িকা পরীমনির মতো নাচতে নাচতে কারাগার থেকে বের হবো,

বের হয়ে পরীমণির মতো সংবাদ সম্মেলন করবো। আমাদের কিছুই করতে পারবে না। গ্রেফতার চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিন করে রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।

শুনানি শেষে রানা মরতুজার পাঁচ দিন এবং গাড়িচালক আবদুর রহিমের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। অন্যদিকে মরতুজার বোন মাসুকা সুলতানা ও জিবান সুলতানার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচলাইশ থানা-পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান বলেন, রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। কেন, কী উদ্দেশ্যে তারা বিচারককে মারধর করেছেন, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। গ্রেফতার মরতুজার দুই বোনকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক আসামি শিশিরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অলি উল্লাহ ও তার স্ত্রী নগরের জিইসি মোড়ের একটি কফি শপ থেকে বেরিয়ে হেঁটে গোলপাহাড় মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় একটি গাড়ি বিচারককে ধাক্কা দেয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজন বিচারককে মারধর ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। এমনকি বিচারক তার পরিচয় দিলেও আসামিরা তাকে মারধর করেন।